গ্রামীণ অর্থনীতিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে অভিভূত ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী

গ্রামীণ অর্থনীতিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে অভিভূত বাংলাদেশ সফররত ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী সুরেশ প্রভু। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ একটি সুন্দর দেশ। এদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে তা নিজ চোখে না দেখলে বোঝানো যাবে না। আমি সত্যিই আনন্দিত। আমি মোদি সরকারে আছি। ভারতের সরকার উল্লেখ করেছে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি হচ্ছে সোনালি চুক্তি।

মঙ্গলবার দুপুরে ভোলার বাংলাবাজার ফাতেমা খানম ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজনে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের আমন্ত্রণে আজ মঙ্গলবার ভোলা সফর করেছেন সুরেশ প্রভু। সফরকালে ভোলার বাংলাবাজারের স্বাধীনতা যাদুঘর পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত হর্ষবর্ধন শ্রিংলা, ক্যাপ্টেন এ বি এম তাজুল ইসলাম (অব.) এমপি, স্কয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, ইসলাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের সিইও নঈম নিজাম উপস্থিত ছিলেন।

অতিথিরা ভোলায় পরিচালিত ফাতেমা খানম বৃদ্ধাশ্রম, ফাতেমা খানম কলেজ ও আজাহার-ফাতেমা খানম মেডিক্যাল কলেজও পরিদর্শন করেন। দুপুরে বাংলাবাজার ফাতেমা খানম ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন ভোলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবদুল মোমিন টুলু।

সভায় সুরেশ প্রভু আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের অনেক শহরের ট্রেনের যোগাযোগ রয়েছে। ঢাকা জয়দেবপুর রেললাইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ-ভারত উভয়ই উন্নয়নশীল দেশ। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে ৫২ সালে ভাষার জন্য সংগ্রাম করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তিনি ইন্দিরা গান্ধির সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মৈত্রী চুক্তি করেছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু দেশ পুনর্গঠনের কাজ শূন্য হাতে শুরু করেছিলেন। বাজেট ছিল খুবই সীমিত। স্বাধীনতা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। তিনি বলেন, তিন মাস পর আমাদের জাতীয় নির্বাচন। এ নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে।