বসুন্ধরা মৌচাক প্রকল্পের প্লট নির্ধারণ

DSC_0625.jpg1.jpg1

বসুন্ধরা মৌচাক প্রকল্পের প্রথম ধাপের প্লট নাম্বার নির্ধারণ করে এর গ্রাহকদের বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। ২০১০ সালের মার্চে এই প্রকল্পের প্লট বুকিং নেয়া হয়্ এর মাত্র দেড় বছরের মাথায় গ্রাহকদের মাঝে প্লট নাম্বার নির্ধারণ করে দেয়া হল।
শনিবার এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রকল্পের সকল গ্রাহক এবং বসুন্ধরা গ্রুপের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে প্লট নাম্বার নির্ধারণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান এর প্রধান উপদেষ্টা মাহাবুব মোর্শেদ হাসান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম শামিন, উপদেষ্টা (তথ্য ও গণমাধ্যম) মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, নির্বাহী

পরিচালক লিয়াকত হোসেন, নির্বাহী পরিচালক (বিক্রয় ও বিপনন) বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক এবং জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক তৌহিদুল ইসলাম।

৩, ৪ ও ৫ কাঠা মাপের প্রতিটি প্লটের কাঠাপ্রতি প্রারম্ভিক মূল্য ছিল প্রায় তিন লক্ষ টাকা যা মাত্র দেড় বছরের ব্যবধানে দ্বিগুনেরও বেশী বৃদ্ধি পেয়ে ছয় লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এ প্রসঙ্গে ইষ্ট ওয়েষ্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লি: এর নির্বাহী পরিচালক (বিক্রয় ও বিপনন) বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক বলেন, “বসুন্ধরায় বিনিয়োগ সবসময়ই নিরাপদ এবং লাভজনক। আমরা সবসময়ই আমাদের গ্রাহকদের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি যার ফলে গ্রাহকরাও আমাদের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা রেখেই এখানে বিনিয়োগ করেন।”

গ্রাহকদের সাথে কথা বলে জানা যায় মাত্র দেড় বছর আগে প্লট বুকিং দিয়ে আজ তাদের প্লট নাম্বার নির্ধারণ করে দেয়া হল। নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধ হলে নিশ্চয়ই এরকম দ্রুততার সাথেই প্লট হস্তান্তর করা হবে।

Have your say